আগামী জাতীয় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার পায়তারা করছে পতিত ফ্যাসিস্টের দোসরা
-বিএনপি নেতা গফুর

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের দোসরা পায়তারা করছে জানিয়ে নেতাকর্মীদের সজাক থাকার আহবান জানিয়েছেন। বিগত ফাসিস্ট সরকারে ১৭ বছরে জয়পুরহাট জেলায় সবচেয়ে বেশি নির্যাতন হওয়ার জানিয়ে বলেন, আমি আমার পিতার মাথার জায়জায় অংশ নিতে পারিনি। আমাকে মেরে ফেলার জন্য ফাসিস্ট সরকারের প্রশাসন আমাকে গুম করেছিল। আল্লাহর রহমত ও আপনাদের দোয়ায় বেঁচে গেছি। তিনি নিজলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, দীর্ঘদিনের নির্যাতিত নেতাদেন কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়নি। এর হিসাব আপনাদের দিতে হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনিই মনোনয়োন পাবেন জানিয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।
আজ সোমবার বিকেলে পৌর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনুর রশিদ সজলের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল বিএনপি’র চেয়ারপারস ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ায় দীর্ঘায়ু কামনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এছাড়াও বালিঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক শামীম হোসেন মন্ডল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব বুলু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচীব ও সাবেক বালিঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মাস্টার, সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহাদৎ হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের স্বপন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নওশাদ আলী, সাবেক দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, জেলা যুবদলের যুবনেতা হারুনুর রশিদ, লিটন আরেফিন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোরছালিন হোসেন সহ জেলা উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপির ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল বিএনপি’র চেয়ারপারস ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ায় দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও ইফতার করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রায় ৬ সহস্রাধিক লোকজনের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।