আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না এত তাড়াতাড়ি ফ্যামিলি কার্ড হবে


নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলটিং) কিউআর কোড-সংবলিত ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ওয়ার্ডের দরিদ্র পরিবারগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্বাচিত পরিবারগুলো প্রতি মাসে সরাসরি মোবাইলের মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।
পাইলটিং প্রকল্পের অংশ হিসেবে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ১নং জয়পুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন (ইউএনও) ও সমাজসেবা কার্যালয়ের নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে (গত ২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে।
মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থিক অবস্থা (হতদরিদ্র/দরিদ্র) পরিবারের সদস্য সংখ্যা, আয়-ব্যয়, বসতবাড়ির অবকাঠামোসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছে।
পরিবারের প্রধান রাধারানী বলেন- আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না, যে এত তাড়াতাড়ি ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। আমরা ভাবছি সবাই আশ্বাস দেয়, কেউ তো বাস্তবায়ন করে না। এ সরকার এসে আমাদের কথা ভাবছে আমরা খুবই খুশি। এই কার্ডের মাধ্যমে আমাদের স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে।
তথ্য সংগ্রহকারী স্বাস্থ্য সহকারী মাহামুদা খাতুন বলেন-আমি এই ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ, কাজে অংশগ্রহণ করেছি।আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি, এখানে কোন বাধা কোন ধরনের প্রভাব আসছে না। সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে আমাদেরকে সহযোগিতা করছে তথ্য সংগ্রহের কাজে ।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্র প্রকাশ চক্রবর্তী বলেন-বাড়ি বাড়ি গিয়ে মার্কিং করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সংগ্রহকৃত তথ্য তিন দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে। আজকে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ শেষদিন,এরপর যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। তিনি আর বলেন, প্রকল্পটি স্বচ্ছ ও সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলো সরকারের ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় আসে।
