শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র চা কারখানা অনুমোদনের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে


পঞ্চগড় প্রতিনিধি
বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন বলেছেন, উত্তরাঞ্চলের ক্ষুদ্র চা চাষিরা ক্ষুদ্র চা কারখানা গড়ে তোলার আবেদন জানিয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ক্ষুদ্র চা কারখানা অনুমোদন দেওয়ার কথা ভাবছি। আজ রোববার দুপুরে পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ড মিলনায়তনে উত্তরাঞ্চলের চা বাগান এবং ক্ষুদ্র চা চাষিদের নিয়ে প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
চা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, চা শিল্পের সমস্যা একেক জায়গায় একেক রকম। উত্তরাঞ্চলের চা শিল্পের প্রধান সংকট হচ্ছে কোয়ালিটি। মার্কেটিংয়ের ব্যাপারটি পঞ্চগড়ের চায়ের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে চাষিদের উন্নতি করতে হলে কাঁচা চা পাতার কোয়ালিটি বাড়াতে হবে। ফ্যাক্টরিদের কিছু সিন্ডিকেটের ব্যাপারও আছে। যদি চাষিরা কোয়ালিটি চা পাতা দেন, তাহলে অবশ্যই তাকে ন্যায্যমূল্য দিতে হবে।
তিনি বলেন, আন্ডারগ্রাউন্ডে চা বিক্রির একটা বদনাম আছে। আমি অস্বীকার করব না। এ এলাকার কারখানার যারা রয়েছেন, তাদের এ বদনাম আছে। এ জন্য আমরা মনিটরিং বাড়াব। আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করব। এখানে কম্পিটিশন বাড়াতে হবে, যাতে মনিপলি না হয়।
শেখ মো. সরওয়ার হোসেন বলেন, এখানকার ক্ষুদ্র চা চাষিরা চা কারখানার ব্যাপারে প্রয়োজনীয়তার কথা উপস্থাপন করেছেন। নিয়মনীতির ভেতরে থেকে এটা যদি করা যায়, আমরা সেটি করব। আমি পার্সোনালি ফিল করি… নিয়মটা রিফ্রেম করেও যদি এটা করা যায়, তাহলে চাষিরা যেমন উপকৃত হবে, রাষ্ট্রও উপকৃত হবে।
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত এ সভায় ক্ষুদ্র চা চাষি, বাগান মালিক, কারখানা কর্তৃপক্ষ, বায়ার, বিটারসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির, পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আমির হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image
Share This