
কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় পূর্নভবা ব্রীজের নীচে উত্তর বঙ্গের সর্ব বৃহৎ গরু ও মহিষের হাট বসে। প্রতি শনিবারে কাক ডাকা ভোর থেকে জেলার পাশ্র্ববর্তী জেলা গুলো থেকে গরু ব্যবসায়ীরা তাদের গরু ও মহিষ ট্রাক ও ভটভটিতে করে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে কাহারোল হাটে।
এই হাটে গরু, মহিষ ও ছাগল ক্রয় করার জন্য রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন গরু ও মহিষ ক্রয় কারার জন্য। কিন্তু গরুর হাটে জায়গা না থাকায় গরু বিক্রেতারা হাট ছেড়ে রাস্তার মধ্যে গরু ধরে রাখেন। রাস্তায় গরু ধরে রাখার কারনে যানবাহন চলাচলের সমস্যা নিত্যদিনের।
আজ শনিবার বালিয়া ডাঙ্গী উপজেলা থেকে গরু বিক্রি করতে আসা রশিদ বলেন, গরুর হাটে জায়গা না থাকায় মহিষ নিয়ে পূর্নভবা ব্রীজের নীচে মহিষ ক্রয় ও বিক্রিয় করতে হচ্ছে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের। গরু হাটের ভিতর পানি ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের। এমনকি হাটের পাশে বিশ্রামের জন্য নেই কোন সেড। ব্যবসায়ীরা বলেন, কাহারোল হাটের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও ব্যবসায়ীদের জন্য সুন্দর কোন সু-ব্যবস্থা গ্রহন করেনি হাট কর্তৃপক্ষ। পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলা থেকে আসা মহিষ বিক্রেতা বলেন, গরু হাটে জায়গা না থাকায় ব্রীজের নীচে মহিষ ক্রয় ও বিক্রয় করতে হচ্ছে। অপর ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদের কথা চিন্তা করে গরুর হাটে কয়েকটি সেড নির্মাণ করলে ব্যবসায়ীদের সুবিধা হয়। কাহারোল হাটের ইজারাদার মো. আতিকুর রহমান শাহ বলেন, এবার ৪ কোটি ৮৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকায় ১ বছরের জন্য আমি ইজারা গ্রহন করেছি। মহিষ হাটের জায়গা না থাকার কারনে ব্রীজের পাশে ১ বছরের জন্য ৬০ হাজার টাকায় এক জনের জমি লিজ নিয়ে মহিষের হাট বসিয়েছি। এব্যাপারে কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, কাহারোল হাটে পানি ও জলের সু-ব্যবস্থা রয়েছে। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে সমাধান করা হবে। তিনি আরও বলেন, অচিরেই ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য হাটে সেডের ব্যবস্থ করা হবে।