
দিনাজপুর প্রতিনিধি
এক দফা দাবিতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তা ও নার্সিং শিক্ষার্থীরা কর্মবিরতি পালন করেছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের (ডিজিএনএম) ও বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের বিএনএমসি'র সকল পদে যোগ্য নার্সদের পদায়নের এক দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ অংশ হিসেবে দিনাজপুরে তারা এই কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করে। আজ মঙ্গলবার দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহিরবিভাগের সামনে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নার্সিং ও মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদ দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতাল কলেজ হাসপাতাল শাখার আয়োজনে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। একই দাবিতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তা ও দিনাজপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করেছে। এ সময় তারা নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিচালক এবং বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও রেজিস্ট্রার পদ থেকে সকল ক্যাডার কর্মকর্তাদের অপসারণপূর্বক উক্ত পদগুলোতে নার্সিং কর্মকর্তাদের পদায়নের ১ দফা দাবী মেনে নেয়ার আহবান জানান। গত ৬ অক্টোবর স্বাস্থ ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাময়িকভাবে ২জন নার্সিং কর্মকর্তাকে অধিদপ্তরে পরিপূর্ণভাবে পদায়ন না করে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্বে পদায়ন করা হয়। এতে সকল নার্স, মিডেওয়াইফ, শিক্ষার্থীগণ এবং সংস্কার পরিষদ হতাশ। উপরোক্ত অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) নাসির উদ্দিনকে অধিদপ্তর হতে প্রত্যাহার করে উক্ত পদে এবং মহাপরিচালক পদে এখনও যোগ্য ও অভিজ্ঞ নার্স পদায়ন করা হয়নি। এর প্রেক্ষিতে তাদের এক দফা দাবি পূরণে কেন্দ্রীয় সংস্কার পরিষদ কর্তৃক কর্মবিরতি কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অবিলম্বে তাদের এক দফা না মানলে আগামী আরো বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন তারা। আন্দোলনকারীরা আমার সোনার বাংলায়-নার্স কেন রাস্তায়, ডিজিএনএম'র সকল পদে-যোগ্য নার্সদের পদায়ন হবে, ডিএনএমসির সকল পদে-যোগ্য নার্সদের পদায়ন হবে, তোমার আমার ঠিকানা-ডিজিএনএমর আঙ্গিনা শ্লোগানসহ এই ধরনে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার আহবায়ক বেনজামিন দাস, সদস্য সচিব রাখী আকতার, দিনাজপুর নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোছা. কোহিনুর বেগম, নার্সিং কলেজের প্রভাষক শাহিদা খানম, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং কর্মকর্তা শামসুন নাহার, দিনাজপুর নার্সিং কলেজের ইনস্ট্রাক্টর আয়শা সিদ্দিকা, শিখা বিশ্বাস, নার্সিং শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।