বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পলাশবাড়ীতে ভাঙা ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার পলাশাবড়ীতে দুমড়ে যাওয়া ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনসহ পথচারীরা চলাচল করছে নিয়মিত। দীর্ঘ দিনেও সংস্কার না হওয়ায় প্রতিনিয়তই বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ঋষিঘাট করতোয়া নদীর পশ্চিমপার্শ্বে টেকানী এবং পার কিশোরগাড়ী গ্রাম অবস্থিত। গ্রাম দু’টি ছাড়াও কাশিয়াবাড়ী এলাকার কয়েকটি গ্রামের একমাত্র জনগুরুত্বপূর্ণ কাশিয়াবাড়ী-রানীগঞ্জ হাট সড়ক। ওই এলাকার পোড়াদহ বিলের পানি করতোয়া নদীর সাথে সংযোগস্থলে পথচারী এবং যানবাহন চলাচলের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তরের আওতায় প্রায় ৯ বছর আগে ব্রিজ নির্মাণটি করা হয়। বর্তমানে ব্রিজটির মাঝখানে দুমড়ে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন জায়গায় ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে মালামাল ও গরু-ছাগল ছাড়াও ব্যাটারী চালিত যানবাহনসহ পথচারীরা দীর্ঘদিন থেকেই জীবনে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছে। যে কোন সময় বড়ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী।
ভ্যান চালক আব্দুর রউফ জানান, কয়েক বছর হলো এই ভাঙ্গা ব্রিজের উপর দিয়ে মাল বোঝাই ভ্যান নিয়ে আসতে মোর খুবই কষ্ট হয় বাহে। পাছ থেকে কেউ ঢেলা না দিলে মুই ভ্যান পারাপার করবার পাও না। তাই ব্রিজটি ভালো হলে মোগো কষ্ট দূর হয়।
কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল সালাম বলেন, এলাকার জনসাধারণ বিভিন্ন মালামাল ও গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জ হাটে যাওয়া-আসার একমাত্র পথ এই ঋষিঘাটের সড়ক। দীর্ঘদিন থেকেই ব্রিজটি দুমড়ে গিয়ে ফাটল ধরায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচাল করছে বিভিন্ন যানবাহন ও পথচারীরা। জরুরী ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার না হলে যেকোন মুহুর্তে বড়ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে জানান তিনি। সেইসাথে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ বলেন, ব্রিজটি ইতোমধ্যে পরিদর্শন করেছেন তিনি। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা নিয়ে ব্রিজটি নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image
Share This