সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রাণবন্ত আয়োজনে বগুড়ায় কম্বাইন্ড নার্সিং ইন্সটিটিউটে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

বগুড়া প্রতিবেদক
বগুড়ায় শহরের বনানীতে অবস্থিত কম্বাইন্ড নার্সিং ইন্সটিটিউটে প্রাণবন্ত নানা আয়োজনে পিঠা উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে পশরা সাজানো হয়েছিলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকা নানা পদের পিঠাপুলির। আজ শনিবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছরের ন্যায় এই আয়োজন করেন।
পিঠা উৎসবে শিক্ষার্থীরা ৪টি স্টলে প্রদর্শন করেন নিজেদের হাতে বানানো তেল পিঠা, পাটিসাপটা, কুশলি পিঠা, পান্তোয়া, গুঁড়ের পায়েস, নানা পদের মিষ্টি, ঝাল পিঠা, ভাঁপা পিঠা, চিতই পিঠা, নকশি পিঠা, খেজুর পিঠা, পুলি পিঠা, জামাই পিঠাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নানা স্বাদের বাহারি পিঠা।
কম্বাইন্ড নার্সিং ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান মো: শাহাবউদ্দিনের সভাপতিত্বে সৃজনশীল এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ। শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেয়ার মধ্য দিয়ে তিনি বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ করে শিক্ষার্থীরা যে সৃজনশীল পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আধুনিকতা কিংবা প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যেন কখনো আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি হারিয়ে না যায় আমাদের সকলকে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের শিশুরা যেন তাদের বাল্যকাল মোবাইলের স্ক্রিন কিংবা টিভির পর্দায় হারিয়ে না ফেলে সেজন্য তাদের ছোট থেকেই বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি, খাবার ও ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। পাঠ্য পুস্তকের জ্ঞানের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের বাঙালিয়ানার সাথে সংস্কৃতিমনা হিসেবে গড়ে তুলতে কম্বাইন্ড নার্সিং ইন্সটিটিউটের সার্বিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তিনি সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোছা: লুৎফুন্নেছা বেগমের ব্যবস্থাপনায় পিঠা উৎসবে আরো উপস্থিত ছিলেন গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল হাসান মমিন, কম্বাইন্ড গ্রুপ অফ মেডিকেল ইনস্টিটিউশন বগুড়ার পরিচালক নূরে শবনম সানজিদা, প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল টেকনোলজির পরিচালক মিজানুর রহমান, সুপারকেয়ার হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল আমিন পারভেজ, নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং বগুড়ার পরিচালক মোশারফ হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
আয়োজন প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মোঃ শাহাবউদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্যে তারা সারা বছর সৃজনশীল এমন নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকেন যার ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের বাইরেও মেধার বিকাশে সহায়ক হয়। পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা বাঙালিয়ানার সংস্কৃতি সম্পর্কেও সকলে আবার নতুন করে জানতে পারে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক এবং সাধারন মানুষকে সচেতন করতে ভবিষ্যতে এমন আয়োজন আরো বড় পরিসরে করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image
Share This