বার্ষিক পরীক্ষার ২০ আগে বহিষ্কারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ছাত্র আন্দোলনের জেরে বার্ষিক পরীক্ষার মাত্র ২০দিন আগে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিয়ে ৪০/৫০জনকে বহিষ্কারের অভিযোগ উঠেছে চিরিরবন্দর উপজেলার বে-সরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমেনা বাকি রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ এর বিরুদ্ধে। আন্দোলনের জেরে প্রতিষ্ঠানের রোষানলে পড়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বহিষ্কৃত ছাত্রদের শিক্ষা জীবন। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন বহিষ্কৃত ছাত্রদের একজন নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইস্তিকার আহমেদ (আইডি ৫৮২৩)।
গত ১২ নভেম্বর মঙ্গল রাতে সেতাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানান, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অধ্যক্ষ আমাকে অন্যায় ভাবে বহিষ্কার করেছে। আমি এর বিচার চাই। ইস্তিকার আরো বলেন, প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান এর স্বেচ্ছাচারিতার ব্যাপারে ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে. কর্ণেল (অব.) কাজী সাহাবুদ্দীন বরাবরে আবেদন করার পরও তিনি আব্দুর রহমান এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় ৩১ অক্টোবর রাতে প্রতিষ্ঠানের ৫-৬শ আবাসিক শিক্ষার্থী আন্দোলন করে। সে সময় শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে আব্দুর রহমান স্কুল থেকে চলে যান। ঐদিন অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের সকল দাবি মেনে নিয়ে ১ নভেম্বর থেকে স্কুল ছুটি ঘোষণা করেন। ১ নভেম্বর শিক্ষার্থীরা নিজ বাসায় চলে যায়। পরবর্তীতে আমার অভিভাবকসহ আমাকে স্কুলে ডেকে বলা হয় কিসের জন্য আন্দোলন করেছি। আমরা আন্দোলনের বিষয় তুলে ধরি। সেদিন আমাদের কিছু না জানানো হলেও ১২ নভেম্বর রাতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমার বাবা কামরুল হাসানকে ফোন করে বলা হয় আপনার সন্তানকে আর স্কুলে পাঠানোর প্রয়োজন নেই। তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আপনি কালকে এসে আপনার সন্তানের ছাড়পত্র নিয়ে যাবেন। ইস্তিকার অভিযোগ করে বলেন, সেদিন ৫-৬শ শিক্ষার্থী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল অথচ ৪০-৫০ জনকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে টিসি প্রদান করা হয়। আগামী ২০ দিন পর আমার ফাইনাল পরীক্ষা এ অবস্থায় আমাকে বহিষ্কার করা হল। আমার ভবিষ্যত কি হবে? আমি এর বিচার চাই। এ বিষয়ে ইস্তিকারের বাবা কামরুল হাসান বলেন, ফাইনাল পরীক্ষার মাত্র ২০ দিন আগে আমার সন্তান সহ ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থীকে অন্যায় ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি এখন এই সন্তানকে নিয়ে কোথায় যাবো। সেতাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের মাধ্যমে আমি এর বিচার চাই।
