
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর দিঘলকান্দিতে সেচ অভাবে রোদে পুড়ে মারা যাচ্ছে অর্ধশত কৃষকের জমিতে লাগানো ধানের চারা। সেচপাম্পের বিদ্যৃৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কারণে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সংকট থেকে উত্তোরণে পিডিবির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, সেচের অভাবে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চলতি ইরি-বোরো ধান ক্ষেত পানি অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। পানির অভাবে হলুদ হয়ে যাচ্ছে ধানের চারা। রোদে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন।
কৃষক নুরুন্নবী (৭০), সাবু (৬০) ও আবু বক্করসহ ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার পর এক সপ্তাহ আগে জমিতে তারা সেচ পান। এরপর জমি তৈরি করে চারা রোপন করেন। কিন্তু স্থানীয় সেচপাম্প এর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় টানা এক সপ্তাহ ধরে শতাধিক কৃষক তাদের জমিতে পানি নিতে পারছেন না ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।
শেষ পাম্প মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় পিডিবি কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে তার পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ কর্তন করে রেখেছেন। তার দাবি তার প্রিপেইড মিটারে ২৬৮০ টাকা বকেয়া থাকলেও তার কাছে অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকা দাবি করছেন পিডিপির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক। দাবিকৃত অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন তিনি।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী ও অভিযুক্ত প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাদের কোন মন্তব্য জানা যায়নি।
তবে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল বাঁচাতে পিডিবি কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা