বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পৌষের শুরুতে তীব্র শীতে কাঁপছে বীরগঞ্জবাসী

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
পৌষের শুরুতে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা দিনাজপুরের বীরগঞ্জে। শীতের দাপট বাড়তে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা একটু উষ্ণ থাকলেও রাত নামলেই বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা ও কুয়াশার ঘনত্ব। সকাল গড়িয়ে বেলা বাড়া পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে গ্রামীণ জনপদ। দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলছে যানবাহন। সেই সঙ্গে বইছে দক্ষিনা হিমেল হাওয়া। তীব্র ঠান্ডায় হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষগুলো।

আজ সোমবার দুপুরে ১২ টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, পাল্টাপুর, সুজালপুর, নিজপাড়া, মোহাম্মদপুর, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর, মরিচাসহ ১১টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে শীত জেকে বসেছে। হিমেল হাওয়া আর মৃদু শৈতপ্রবাহ কাবু করেছে শীতার্ত মানুষদের। পৌষের শুরুতে জেঁকে বসা শীতে বিপদে পড়েছে শীতার্ত মানুষ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, শৈত্যপ্রবাহ ও খুব কুয়াশা থাকতে পারে আরও দুই দিন। গত চার দিন থেকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সর্বত্রই শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। প্রচন্ড শীতে কাঁপছে বীরগঞ্জ উপজেলাবাসী। গরম কাপড়ের দোকানে উপছে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পৌষ মাসের শুরুর সাথে সাথেই শীত জেঁকে বসেছে। তাপমাত্রা নেমে আসার পাশাপাশি প্রচন্ড হিমেলা হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছেন উপজেলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা। বিশেষ করে রিক্সা ভ্যান শ্রমিক, কৃষক-কৃষাণীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কনকনে শীতে বৃদ্ধ ও শিশুদের ডায়রিয়াসহ ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন ধরণের রোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে পর্যাপ্ত পরিমাণে শীতবস্ত্র ও কম্বল না থাকায় বিপাকে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষগুলো।

পৌরশহরের বিজয় চত্বরে রিকশা চালক আব্দুল রহিম বলেন,কয়েকদিন ধরে হিমেল হাওয়া এবং প্রচন্ড শীত বেড়েছে। তীব্র ঠান্ডার কারণে যাত্রী রিকশায় উঠতে ভয় পাচ্ছে। সারাদিন বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ২-৩শ টাকা আয় হচ্ছে। অন্যদিকে ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহনগুলো হেডলাট চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে।
শীতকালীন ফসল সরিষা, গম, আলু, বেগুন, পেঁয়াজ, মরিচ ও বোরোধানের বীজতলায় শীত রোগে আক্রমণের প্রভাব ফেলেছে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image
Share This