রবিবার, ১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বোদায় পাথরাজ খাল পুনঃখনন এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
পঞ্চগড়ের বোদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর স্মৃতিবিজড়িত পাথরাজ খাল পুনঃখননের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
আজ শনিবার সকালে বোদা পৌরসভার দুলালতলী বাঁধ এলাকায় খাল পুনঃখননের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে পঞ্চগড়ের পাথরাজ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে খালটি অনেকাংশে ভরাট হয়ে এখন প্রায় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পাথরাজ নদী পুনঃখনন করে পানিধারণ সক্ষমতা বাড়ানো গেলে প্রায় ৫০ হাজার বিঘা জমি চাষের আওতায় আসবে এবং প্রায় তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবে।
সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে দেশের নদী-খাল পুনরুদ্ধার করা হবে। এ লক্ষ্যে ১৫ দিন, ১৮০ দিন ও চার বছরের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। নদীর দুই তীরে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কয়েক হাজার গাছ লাগানো হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কৃষি ঋণের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ মওকুফের প্রস্তাব সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। রোজার আগেই ১৫টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে তা সম্প্রসারণ করা হবে।
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে নদী ও খাল খননের কাজ বর্ষা মৌসুমে নয়, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয়ভাবে নদীতে ব্লক ফেলা বা অপচয় বরদাশত করা হবে না
তিনি বলেন, “কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। আমাদের পরিকল্পনার দৃশ্যমান বাস্তবায়ন আপনারা পর্যায়ক্রমে দেখতে পাবেন।”

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image
Share This

COMMENTS