

নিজস্ব প্রতিবেদক
বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা এবং প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নতুন উপকারভোগী অন্তর্ভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ চলছে। আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। তাই যোগ্য ব্যক্তিদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। এছাড়া সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়েও পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নতুন অর্থবছরে কয়েকটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বয়স্ক এবং বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা মাসিক ৭০০ টাকা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা ১ হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তিও পর্যায়ভেদে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে হবে dss.bhata.gov.bd/online-application ওয়েবসাইটে। ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে।
দিনাজপুর শহর সমাজসেবা অফিসার মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, যারা ভাতা পাওয়ার যোগ্য, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের কারণে যাতে কোনো যোগ্য ব্যক্তি বাদ না পড়েন, সেজন্য আবেদন করার আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন সম্পন্ন করা ভালো। আবেদন নিয়ে কোনো সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহযোগিতা পাওয়া যাবে।
এদিকে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়েও পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচিতে পরিবারের প্রধান নারীকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে হতে হবে। তাঁর NID বা জন্মনিবন্ধন, স্বামীর NID বা জন্মনিবন্ধন, সন্তানদের NID বা জন্মনিবন্ধন, সচল বিকাশ/নগদ নম্বর অথবা ব্যাংক হিসাব এবং প্রধান নারীর এক কপি ছবি প্রয়োজন হবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৪১ লাখ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। পরিবারপ্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে।
