বীরগঞ্জে অস্থির চালের বাজার


বীরগঞ্জ(দিনাজপুর)প্রতিনিধি
প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও অভিযান পরিচালনা না হওয়ায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জে অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। নতুন চালের দাম কম থাকলেও বেড়েছে পুরাতন চালের দাম।
মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে বস্তা প্রতি চালের দাম বেড়েছে দুইশ’ থেকে আড়াইশ’ টাকা।
উপজেলায় দৈনিক বাজারের বড় খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকার ভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট জিরাশাইল চালের দাম ৬৫ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায় এবং নাজিরশাইল ৭৫ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকায়।
এছাড়া মাঝারি ও মোটা চালের দাম ২ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে প্রতি কেজিতে। ক্রেতারা অভিযোগ
করে জানান, বাজারে চালের দোকানগুলোতে মূল্য তালিকা না থাকায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চাল।
পাইকারি দর বাড়ায় প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। এ জন্য মিলার ও ব্যবসায়ীদের দুষছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
বীরগঞ্জ পৌরশহরের চাল বাজারের ব্যবসায়ী দীনেশ রায় বলেন,১০ দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। ফলে পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে চাল কিনে বেশি দামেই বিক্রয় করতে হচ্ছে খুচরা বাজারে। তিনি আরও বলেন, মিলাররা ধানের মজুত করে চালের দাম বাড়াচ্ছেন। আবার তারাই ধানের বাজার দর বৃদ্ধির অজুহাত দিচ্ছেন। মাঝখান থেকে আমরা খুচরা ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে।
খুচরা চাল ব্যবসায়ী সঞ্জয় জানান,বর্তমানে পুরাতন ২৮ মিনিকেট চালের দাম বেশি হলেও নতুন চাল কম দামে বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে আকার ভেদে মিনিকেট চাল প্রতিকেজি ৮০ টাকা, গুটি স্বর্ণ ৫০ টাকা,সুমন স্বর্ণ ৫৫ টাকা,মোট হাইকিং চাল ৫৫ টাকা, ২৯ জাতের চাল ৬৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজার ১৫ দিন আগে ২-৩ টাকা কম ছিল। সুজালপুর ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামের কৃষক সতীশ চন্দ্র বর্মন জানান,কয়েকদিনের ব্যবধানে চিকন ধানের দাম বস্তা প্রতি প্রায় ৭ শত ৫০ টাকা কমেছে। তিনি আরও জানান, ২৫ দিন আগে ৪ হাজার ৯ শত টাকার ধান ৪ হাজার ২ শত ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু বাজার চালের দাম কমেনি।
