

লাইফস্টাইল ডেস্ক
ফ্রিজ একটি যন্ত্র, যা নিয়মিত যত্নে বছরের পর বছর অনায়াসে সার্ভিস দেয়। ওয়ারেন্টির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে শুরু থেকেই এর সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে মনোযোগ দেওয়া উচিত। ফ্রিজের নরমাল অংশের তাপমাত্রা ৩-৪০ সেলসিয়াস (৩৭-৪০০ ফারেনহাইট) এবং ডিপ ফ্রিজের তাপমাত্রা -১৮০ সেলসিয়াসের (০০ ফারেনহাইট) আশপাশে রাখুন।
রান্না করা গরম খাবার কখনই সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং কম্প্রেসরের ওপর চাপ পড়ে। ফ্রিজের ভেতরে ঠাণ্ডা বাতাস চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা খালি রাখুন। এ ছাড়াও প্রতিটি খাবার ঢাকনাযুক্ত বাটিতে, এয়ারটাইট বক্সে বা জিপলক ব্যাগে সংরক্ষণ করুন। এতে খাবারের গন্ধ ছড়াবে না। দরজা বারবার খুললে বা দীর্ঘক্ষণ খোলা রাখলে ভেতরের ঠাণ্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়, যা কম্প্রেসরকে বেশি খাটিয়ে বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেয়। দরজার তাকে ডিম বা দুধ না রেখে সস, জ্যাম, জুস বা পানির বোতল রাখুন। নিচের ড্রয়ারে শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। ফ্রিজের দরজার চারপাশের রাবার (গ্যাসকেট) ঠিকমতো আটকাচ্ছে কিনা, তা মাঝে মাঝে পরীক্ষা করুন। রাবার ঢিলা হলে বাতাস ঢুকে কুলিং কমে যায়। ফ্রিজের পেছনে থাকা কয়েল ও মোটর যাতে সহজে তাপ বিকিরণ করতে পারে, সে জন্য ফ্রিজটি পেছনের দেয়াল থেকে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি দূরে স্থাপন করুন। মাসে অন্তত একবার ফ্রিজের ভেতরটা পরিষ্কার করুন। হালকা গরম পানিতে একটু বেকিং সোডা বা ভিনেগার মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ফ্রিজটি যদি ‘ফ্রস্ট-ফ্রি’ প্রযুক্তির না হয়, তবে ডিপ ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমতে দেবেন না। বরফের স্তর আধা ইঞ্চি হওয়ার আগেই ডিফ্রস্ট করুন।