

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো প্রায় ৬০ মণ হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী পারভীন বেগমকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ বড় ছত্রগাছার খালেক পাইকারের হলুদ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জব্দকৃত ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া প্রকাশ্যে ভস্মীভূত করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মিলন মিয়া এবং র্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন মিল স্থাপন করে কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিলেন। এতে সাধারণ ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য সরবরাহও হুমকির মুখে পড়ছিল।
গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, “জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। ভোক্তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে কেউ প্রতারণা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মিলন মিয়া বলেন, খাদ্যে ভেজাল শুধু আইনগত অপরাধ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি আরও জোরদার করা হবে।
