×

সেতাবগঞ্জ রেল স্টেশনের মূল ফটক বন্ধ! যাত্রীদের ভোগান্তি

বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দীর্ঘদিন মূল ফটক বন্ধ, ফটকের গ্রিলে মরচে পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে লাখ টাকার লোহার গেট। বন্ধ ফটকের সাথে রাখা হয়েছে অপ্রয়োজনীয় ভাঙ্গাচুড়া জিনিসপত্র। রেল যাত্রীদের কষ্ট করে যাতায়াত করতে হচ্ছে পাশের ছোট্ট পকেট গেট দিয়ে।
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ রেল স্টেশনের প্রকৃত চিত্র । স্টেশন মাষ্টার বলছেন, সরকারি জিনিসপত্র হারিয়ে যাবে তাই, মূল ফটক বন্ধ করে সেখানে রাখা হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল ১০টায় সেতাবগঞ্জ রেল স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ১ নং লাইনে আন্তঃনগর ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে। শিশু, নারী, পুরুষ ও বৃদ্ধ যাত্রীরা ছোট্ট পকেট গেটদিয়ে কষ্ট করে বের হচ্ছে তাদের মালামাল দিয়ে। ট্রেন আসে ট্রেন যায় , বন্ধ থাকে স্টেশন ভবনের মূলগেট। ভবনের মূল গেটের সাথেই রয়েছে টিকিট কাউন্টার, বাইরে থেকে আসা অনেক যাত্রী খুঁজে পায় না টিকিট কাউন্টার। মূলগেট সবসময় বন্ধ থাকায় ভবনের পাশের পকেট গেট দিয়ে যাত্রীদের মালামাল নিয়ে স্টেশনে প্রবেশ করতে হয়। পকেট গেটের নিচে থাকা, লোহার রডের সাথে যাত্রীদের পা আটকে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। হাসপাতালে যেতে হয় এমন ঘটনাও ঘটে। টিকিট কাউন্টারের সাথেই রাখা হয়েছে, স্টেশনের অব্যবহৃত পুরাতন জিনিসপত্র, ফলে যাত্রীদেরকে আবর্জনার পাশে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে হচ্ছে। ভবনের মূল গেটটি বন্ধ থাকায় স্টেশনে প্রবেশের পর টিকিট কাউন্টার খুঁজে পেত স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ছোটাছুটি করতে হয় যাত্রীদের। ভবনের নকশা করা হয়েছে যাত্রীদের কথা চিন্তা করে। যাত্রীদের প্রবেশ পথেই রাখা হয়েছে টিকিট কাউন্টার। অথচ মূলফটক বন্ধ করে টিকিট কাউন্টার টিকে রাখা হয়েছে আড়ালে। রেল ব্যবহার করা যাত্রীদের প্রশ্ন, সামান্য অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা রাখার কারনে কেন বন্ধ রাখা হচ্ছে মূল ফটক। তাদের দাবি সেতাবগঞ্জ রেল স্টেশনের মূল ফটকটি খুলে দিয়ে যাত্রীদের রেল ভ্রমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।
এই বিষয়ে সেতাবগঞ্জ রেল স্টেশন মাষ্টার মো. রিয়ানুল হামিদ বলেন, স্টেশনের জিনিসপত্র হারিয়ে যায় তাই, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মূল ফটক বন্ধ রেখে সেটিকে গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছি।