

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজ শয়ন কক্ষ হতে রেজিয়া বেগম নামে এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রেজিয়া বেগম (৭৫) বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের ধনগাঁও গ্রামের মোঃ শবদুল ইসলামের স্ত্রী। শুক্রবার সকালে বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউপির ধনগাঁও গ্রাম হতে মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
বীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মইনুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়ার শেষে স্বামী এবং স্ত্রী পৃথক দুইটি ঘরে শুয়ে পড়েন। শুক্রবার সকালে স্বামী মোঃ শবদুল ইসলাম স্ত্রীর শয়ন কক্ষে গিয়ে গলাকাটা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। সংবাদ পেয়ে প্রশাসনের ঊর্ধতন কর্মকর্তা ঘটানাস্থলে ছুটে যান। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন এবং গলা কাটা দেখতে পাওয়া যায়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি পরিকল্পিত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। সুরতহাল শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুরে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে মৃতদেহ প্রেরণ করা হবে।
নিহতের বড় ছেলে রুহুল মিয়া বলেন, আমি বীরগঞ্জে অবস্থান করি। সকালে খবর পেয়ে বাড়িতে এসেছি। আমি নিজেও বুঝতে পারছি না কারা আমার মাকে এমন নির্মমভাবে হত্যা করল। ছোট ভাইসহ ৫ বোন বিভিন্ন এলাকায় বিবাহ হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সত্যজিৎ রায় কার্তিক বলেন, রেজিয়া বেগমের হত্যাকান্ডের খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসেছি এটি দুঃখ জনক ও মর্মান্তিক।
বীরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। দ্রুত সময়ে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করা হবে।
