

দিনাজপুর প্রতিনিধি
“তারুণ্যের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করি-আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি”-এবারের এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ রোববার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, দিনাজপুরের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এটিএম নজমুল হুদা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস.এম হাবিবুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমালিকা পাল, দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মো. গোলাম রসুল রাখি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল আলম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিসি) ডাঃ মো. রেজাউল হক। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে জেলা পরিবার পরিকল্পনা পক্ষ থেকে জেলা পর্যায়ে ১০ জন শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে এবং উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কর্মী হিসেবে ৪ জনকে এবং শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। শ্রেষ্ঠ উপজেলা প্রশাসন হিসেবে হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কাহারোল প্রদীপ কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল ওহাব, এসএওয়াই, আরএইচআর প্রকল্পের প্রকল্প অফিসার লুৎফুল বিন ফারুক, জেলা প্রাইমাইরী শিক্ষা অফিসার শাহজাহান সিদ্দিক, সাংবাদিক কাশী কুমার দাস ও শ্রেষ্ঠ উপজেলা হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জজ মিত্র চাকমা। সভাপতির বক্তব্যে উপ-পরিচালক এটিএম নজমুল হুদা বলেন, টেকশই উন্নয়ন, উন্নত জীবন-ধারণ এবং সমাজে শান্তি শৃঙ্খলার নিশ্চিতের জন্য বংশানুক্রমিকভাবে ন্যায্যতা ও ন্যায়-নীতি বোধ ধরে রাখা প্রয়োজন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাঝে সংহতি বজায় রাখা এবং যুব-বৃদ্ধ সকলের বর্তমান ও ভবিষ্যতের মানবিক অধিকার সুনিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জীবনের যে কোন স্তরে সম্মান ও স্বাস্থ্যকে অটুট রাখা একান্ত প্রয়োজন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এডিসি (সার্বিক) এস.এম হাবিবুল হাসান বলেন, বর্তমান বিশ্বে তরুণরাই উন্নত ও অগ্রগতির প্রধান চালিকা শক্তি। তাদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গরুত্বপূর্ণ। তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে পারলে তারা দেশের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। মনে রাখবেন অধিক সনসংখ্যা অভিশাপ নয়, সেটাকে আশির্বাদে পরিণত করতে হবে।
