

নিজস্ব প্রতিবেদক
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে লিজকৃত পুকুরের টঙে গভীর রাতে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় বাড়িতে হামলা ও নারী-পুরুষকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
গত ৫ অক্টোবর (সোমবার) রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার বেতদিঘী ইউনিয়নের খন্ডখুই (ভায়রা) গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এতে হাজেরা খাতুন, রুবেল হোসেন, আব্দুল করিম সহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতদিঘী ইউনিয়নের নন্দীগ্রামে খন্ডখুই (ভায়রা) গ্রামের মৃত তছির উদ্দীনের ছেলে মহসীন আলীর লিজকৃত একটি পুকুর আছে। পুকুরে পাহারা দেয়ার সুবিধার্থে সেখানে বাঁশের একটি টঙ নির্মাণ করেন তিনি। কিন্তু প্রতি নিয়তই ওই টঙে গভীর রাত অবধি মাদক সেবিদের আড্ডা চলে। অতিষ্ঠ হয়ে এতে বাধা প্রদান করলে ওই নন্দীগ্রামের ছেলে মো. মিরাজ আলীর ছেলে লিমন (৩৬), তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মতিয়ার রহমান (৫০), মৃত মন্টু সরকারের রকি (৪০), সাইফুল ইসলামের ছেলে আপন (২৫), মৃত তবিজ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৬৫), সাইফুল ইসলামের ছেলে সাধন (৩২), মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. মিরাজ আলী (৬০) ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে রিয়াদ (৩৫) ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টায় মহসীন আলীর বাড়িতে পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায়। ওই সময় মহসীন আলী বাড়িতে না থাকলে তার বাড়ি ঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। এতে বাধা প্রদান করলে মহসীন আলীর ভাতিজি মোছা. হাজেরা খাতুন, ভাতিজা রুবেল হোসেন ও বড় ভাই আব্দুল করিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা এলোপাথারিভাবে মারধর করা হয়। এসময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকে ভর্তি করেন।
তাদের ভাঙচুরে বাড়ি ঘরের আসবাব পত্র, দরজা ভেঙে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়। একই সময় তারা খাটের গদির নিচে রাখা ৮০ হাজার টাকা সুকৌশলে নিয়ে নেয়।
পুকুরের মালিক মহসীন আলী জানান, আমার পুকুরে আমারই বানানো টঙে মাদক সেবন নিষেধ করায় আমার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। হামলার পর তারা আমাকে হত্যার হুমকিও দিয়ে গেছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
